মধ্যনগরে পুর্ব শত্রুতার জেরে ইউপি সদস্যকে ফাসানো চেষ্টা

0
12

বিশেষ(প্রতিনিধি)
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ এখলাছ উদ্দীন কে পুর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় এক নাম শিক্ষক নেতৃত্বে মিত্যা অপবাদ দিয়ে ফাসানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি আশ্রয়নের ঘর দেয়ার জন্য ৪ব্যাক্তির নিকট হতে সদস্য এখলাছ উদ্দীন ৮২হাজার টাকা অর্থ আত্ম সাথের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

৩রা আগষ্ঠ গনমাধ্যমের সরেজমিন অনুসন্ধানে উঠে আসে উল্লেখিত অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়টিতে কথিত অর্থদান কারীদের ৪জনের মধ্যে ২জনের উল্লেখিত ইউপি সদস্যের সাথে কোন অর্থনৈতিক লেনদেন করেনি,আর একজন মোঃআলী ঢাকায় থাকেন।

লিটন মিয়ার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন বলেন “আমরা খাইবারি পাইনা-টেকা দিমু কইত্তে”? খাইবার টেকা নাই এত্তো টেয়া কিত্তে মিলাইয়াম।লিটন মিয়ার শ্যালক জুয়েল,শ্বশুর মরম আলী ও শ্বশুরী তারা জানান আমাদের কাছ থেকে কোন টাকা নেয় নাই চায়ও নাই।

দ্বিতীয় জন শুক্রুর মিয়া বলেন-আমার কাছে মেম্বার কোনটাকা চায় নি। আমি সত্য কথা বলায় আমার উপর হুমকি শুরু করেছে জলিল। যে কোন সময় আমার উপর হামলা করতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী বরারবরে কারো সম্মতি ছাড়াই অবগত না করেই অভিযোগ করেছেন বলে জানা যায়।জলিল মাস্টার জানান অভিযোগটি শুনার পরে এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছি।

ইউপি সদস্য এখলাছ উদ্দীনের দুই ভাতিজা দুলহাস মিয়া ও বারাইন প্রভাসী মতিউর রহমান জানান প্রায় দুবছর আগে উত্ত্যাক্ত ও অনৈতিক আচরণের জন্য জলিলের ভাই দেলুয়ারের নামে মামলাও হয়েছিল ঐ বিরোধের জেরে আমার কাককে ফাসানোর চেষ্টা চালাচ্ছে জলিল।আমার হাতে মামলার কপিও রয়েছে।

জলিল মাস্টার পুর্বের শত্রুতা স্বীকার না করলেও ভাই দেলুয়ার পুর্বের শত্রুতার কথা স্বীকার করেছেন এবং বলেন মেয়েলি মামলার বিষয়টি মিমাংসা হয়েছে।

ইউপি সদস্য এখলাছ উদ্দীন জানান জলিলের সাথে পুর্বের একাধিক শত্রুতা ছিল আমাদের।এনিয়ে থানায় লিখিত ভাবে অবগতও করেছি।সবশেষে ইউপি নির্বাচনের বিরোধিতা নিয়ে আমার সাথে এমন আচরণ করছে জলিল।

আমার বোনদের জায়গা সম্পত্তির উপর লালসা নিয়েও শ্রত্রুতা রয়েছে যার দরুন আমাকে মিত্যে অপবাদে ফাসানোর জন্য এমনটা করছে জলিল যা সম্পুর্ন উদ্যেশ্য প্রনোদিত।

এমনকী হালিম মিয়াকে আমার বিপক্ষে কথা বলানোর জন্য তার ছেলে জামাল বাদশাকে পনারকুড়ি ও লম্বাদাইড় বিলে শেয়ার দিয়েছে জলিল। আর যদি আমি যদি প্রকৃত অপরাধী হই তা হলে আমার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হউক।

জানা যায় নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগের নিবেদকের সাক্ষর রয়েছে জামাল বাদশা নামের এক ব্যাক্তির।কিন্তু মধ্যনগর অনুসন্ধানে উঠে আসে মধ্যনগরে মানিক নামের এক ব্যাক্তিকে জামাল বাদশার নামটি লিখে দিতে অনুরোধ করেন জলিল এবং মানিক মিয়া প্রতিনিধির কাছে স্বীকার করেন জামাল বাদশার নামটি লিখে দিয়েছেন,কিন্তু ঘটনা সম্পর্কে মানিক অবগত নয়।এবিষয়ে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধী প্রমানিত হলে উর্ধ্বতনের নির্দশানুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here