কাঠের সাঁকোই এক মাত্র ভরসা, আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি আজও

0
8

রাজিব হোসেন সুজন, বরিশাল ব্যুরো প্রধানঃ কাঠের সাঁকোই একমাত্র ভরসা রাঙ্গাবালী উপজেলায় নবগঠিত মৌডুবী ইউনিয়নের বাইলাবুনিয়া গ্রামবাসীর। নিজেদের চেষ্টায় সাঁকো তৈরী করলেও নিশ্চিন্ত নয় তারা। সাঁকো ভেঙে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, এমন সম্ভাবনা এড়িয়ে যাওয়া যায়না। দু-পারে মাটির রাস্তা টেনে খালে একটা ব্রিজের দাবী করছেন গ্রামবাসী। পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার নবগঠিত মৌডুবী ইউনিয়নে বাইলাবুনিয়া গ্রামের পূর্ব পাশ দিয়ে বয়ে গেছে দারছিরা মরা নদীর একাংশ। নদী মরে গিয়ে খালে পরিণত হয়েছে। পূর্ব পাড়ে আশাবাড়িয়ার চর। নামে চর হলেও, বেশ কয়েক বছর আগ থেকে ওই চরে অর্ধ শতাধিক পরিবার বাড়িঘর বেধে বসবাস করছে। তাদের মধ্যে রয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

প্রতিদিন জিবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হয়ে ওইসব শিক্ষার্থী বাইলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে। এতে আতংকে থাকেন অভিভাবকরা। কখন জানি সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে সন্তানদের। এছাড়াও খাবার পানি সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা কাটায় যেতে হয় তাদের ইউনিয়নের বিভিন্ন হাটবাজারে। পার হতে হয় সাঁকো। অপর দিকে কৃষি কাজের জন্য কৃষকরা সব সময় আসা যাওয়া করেন। বর্ষায় ধান, শুকনো মৌসুমে রবিশষ্য জন্মায় ওই চরে। আসা যাওয়ার ভরসা একটি মাত্র সাঁকো। প্রতিদিন শতাধিক মানুষ ওই সাঁকো পার হয়ে যাতায়াত করে। আশাবাড়িয়ায় বসবাসরত খোকন মিয়া, জামাল হাওলাদার, ইকবাল মাঝি, বসির গাজী সহ অনেকে বলেন, কয়েক বছর আগ হইতে আমরা বাড়িঘর বাইন্ধা থাহি। আমাগো পোলা মাইয়া ইমন, খুকুমনি, লামিয়া, জিদমি, ফারজানা, রাব্বি, লিমন, ইমন সহ অনেকে স্কুলে যায়।

আমরা চিন্তায় থাহি। নিচে পড়ে গিয়ে কোন দুর্ঘটনা ঘটে নাকি। একটা পুল হইলে আর চিন্তা থাকতোনা। বাইলাবুনিয়া গ্রামবাসী বলেন, প্রতিদিন শতাধিক মানুষ এই সাঁকো পার হয়। কখন কি ঘটে কে জানে। দু-পারে মাটির রাস্তা টেনে মূল খালটিতে একটা ব্রিজের ব্যবস্থা করলে আর কোন সমস্যা থাকেনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here