গাছা থেকে আসামি তুলে নিয়ে মিথ্যা মাদক মামলা দিল দক্ষিণ খান থানা পুলিশ।

0
14

ইসমাইল হোসেন শামিম, উত্তরা প্রতিনিধিঃ  

বিস্তারিতঃ গাজীপুর গাছা থানা এলাকা থেকে আসামি গ্রেফতার করে দক্ষিণ খান থানায় নিয়ে ইয়াবা ও হিরোইন দিয়ে একটি মিথ্যা মামলা দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার পুলিশের আইজি, র‍্যাবের মহাপরিচালক ও সাংবাদিকদের কাছে একাধিক অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয় বিনা ওয়ারেন্টে গত ৬ই আগষ্ট সকাল সাড়ে ৭টায় দক্ষিণ খান থানার এস আই মুনসুর আলি গাছা এলাকায় এসে ক্ষমতা খাটিয়ে জোর পূর্বক মোঃ মিজানুর রহমান (২৭) নামে একজন আসামীকে ২০০ পিস ইয়াবা ও ৩১ গ্রাম হিরোইন দিয়ে একটি মিথ্যা মামলা দিয়েছে। মামলা নং- (৪)

গাজীপুর গাছা থানার দক্ষিন খাইলকৈর এলাকায় বসবাস রত বাসা থেকে মোঃ মিজানুর রহমান (২৭) কে গ্রেপ্তার করে।

এস আই মুনসুর আমাদের কাছে ১লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে , টাকা দিতে অপরাগতা স্বীকার করলে, ঘরে থাকা মাটির ব্যাংক ভেংঙ্গে আনুমানিক ২০ হাজার টাকা নিয়ে জোর পুর্বক মিজানকে মারধর করতে করতে একটি সাদা রংয়ের কালো গ্লাসের মাইক্রো গাড়িতে উঠিয়ে দক্ষিনখান থানায় নিয়ে যায়।
ছেলের বিষয়ে দক্ষিন খান থানায় গেলে তিনি (এস আই মুনসুর আলি) বলেন বাকী ৮০ হাজার টাকা এনেছেন? উত্তরে না প্রকাশ করিলে পুলিশের সাথে থাকা সোর্স চাপাতি বাবু আমার মেয়ের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন জোরপূর্বক গলা থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এবং সাথে থাকা আমার মেয়ের জামাই মোঃ শাহীন আলম প্রতিবাদ করলে পুলিশ জোর পূর্বক তাকে থানার ভিতর নিয়ে চর থাপ্পর মারে। মিজানের পরিবার আরো অভিযোগ করে টাকা দিতে অস্বীকার করলে পরবর্তীতে মিজানকে ২০০ পিছ ইয়াবা ও ৩১ গ্রাম হিরোইন দিয়ে মামলা দেয়।

মিজানের বাবা মোঃ আব্দুস সামাদ বলেন প্রথমে তারা আমার ছেলেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাইতে চাইলে আমি বলি আপনারা কোন থানা থেকে এসেছেন?
এস আই মুনসুর বলেন যে আমরা দক্ষিণ খান থানা থেকে এসেছি। ওয়ারেন্ট আছে কিনা জানতে চাইলে এর কোন সদুত্তর দেননি। পরে আমি গাছা থানায় ফোন দিলে থানা থেকে এস আই মুমিনুল আসলে তারা আমার ছেলেকে এস আই মুমিনুলের সহযোগিতায় নিয়ে যায়।

এব্যাপারে মুঠোফোনে দক্ষিণ খান থানা পুলিশের এস আই মুনসুর আলির কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন এস আই মোমিনুল থাকা কালীন সময়ে মিজানুর রহমানের বাসায় কোন মাদক দ্রব্য পাওয়া যায়নি।

এছাড়াও গাছা থানার এস আই মোমিনুলের কাছে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে গ্রেফতারের সময় আসামীর কাছে কোন মাদকদ্রব্য ইয়াবা ও হিরোইন ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি থাকা কালীন মিজানের কাছে কোন ইয়াবা বা হিরোইন পাওয়া যায়নি।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার সাংবাদিক মহল সহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ও মহামান্য আদালতের কাছে সুবিচার কামনা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here