থানীয় সুত্রে জানা গেছে, আমিনুর ও তার পরিবার ইয়াবা, মাদক, গাঁজা, মদসহ সব ধরণের নেশা জাতীয় ব্যবসার সাথে জড়িত ।

0
5

এর আগে গত ১৯ জুলাই/১৭ ইং তারিখে সোনাহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে থানা পুলিশ ইয়াবা ও অন্যান্য মরনঘাতী মাদকের পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ী আমিনুরকে ১০ পিচ ইয়াবাসহ আটক করে যার মামলা নং-১৯/২০১৭।

মাদক ব্যবসায়ী আমিনুর রহমান, তার ছোট ভাই সোনাহাট ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মাদক সম্রাট মিজানুর রহমান মিজু ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর বিভিন্ন অপঃকর্মের ফিরিস্তি নিয়ে এর আগে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও অদৃশ্য কারণে এতদিন আমিনুর, মিজু ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। এ পর্যন্ত আমিনুর, তার ছোট ভাই মিজু, সোনাহাট ইউনিয়ন শ্রমিক লীগ সাধারন সম্পাদক ছোট ভাই রন্জু মিয়া, ছোট ভাই রিপন মিয়া সহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের নামে মাদক বিক্রয়, জমি দখল, জল মহাল দখল চেষ্টা, চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসী, পুলিশের ভ্যান পোড়ানোর নাশকতা মামলা সহ বিভিন্ন অভিযোগে অসংখ্য মামলা হয়েছে, যার এ যাবত সংগৃহিত কিছু জ মামলার নম্বর- জিআর নং ২০৬/২০(ভূরু), ১৯/২০১৭, ০৮ তারিখ ১৭ মে/২০২০ জি,আর-০৪ /১৬০(ভূরুঙ্গা) তাং-৯ ডিসেম্বর/১৩ ইং, সি আর ১৪৯/১৩(ভূরুঙ্গা) তাং-১৯ডিসেম্বর/১৩ইং, সি আর ১৪৮/১৩ (ভূরুঙ্গা) তাং-১৯ ডিসেম্বর/ ১৩ইং, জি,আর-৮৬/১৭ (ভূরুঙ্গা)তাং-২ মে/১৭ ইং, জি,আর-১৬/১৮। গত ৩ জুন/২০ ইং তারিখে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগরের নিকট মাদক ব্যবসায়ী আমিনুর ও তার ছোট ভাই মাদক সম্রাট-ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ এবং দূর্নীতির মাধ্যমে ছিঁচকে চোর থেকে রাতারাতি কয়েক শত কোটি টাকা ও বিলাশ বহুল বহুতল ভবনের মালিক বনে যাওয়া মিজানুর রহমান মিজুকে গ্রেফতারের দাবিতে অত্যাচারের শিকার ভুক্তভোগীরা তাদের অপকর্মের তথ্য বর্ননা করেন এবং দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

তিনি আমিনুর, মিজানুর রহমান মিজু, রিপন মিয়া, রন্জু মিয়া সহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর অপরাপর সদস্যদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে পরবর্তীতে তৎকালীন কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার, মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম মহোদয়ের ঐকান্তিক চেষ্টায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মিজানুর রহমান মিজুকে কুড়িগ্রামের আড়াজি পলাশবাড়ীর তার শ্বশুড় বাড়ী হতে গ্রেফতার করা সম্ভব হলেও আমিনুর আত্ম গোপনে চলে যায়। পরে অসংখ্য বার ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ, জেলা ডিবি পুলিশ সহ অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সাঁড়াশী অভিযান চালিয়েও তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। উল্লেখ্য, আটক কৃত দূষ্কৃতিকারী আমিনুরের ছোট ভাই মুর্খ মিজানুর রহমান মিজু অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সোনাহাট ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদকের পদ এবং আরেক ছোট ভাই পুলিশের ভ্যান পোড়ানোর নাশকতা মামলার দুই নম্বর আসামী রন্জু মিয়া সোনাহাট ইউনিয়ন শ্রমিক লীগ এর সাধারন সম্পাদক পদ বাগিয়ে নিয়ে উক্ত পদের ক্ষমতার অপঃব্যবহারের মাধ্যমে তারা এই সব দূষ্কর্ম করে বেড়াচ্ছে! আরো উল্লেখ্য থাকে যে, মাদক ব্যবসায়ী আমিনুর, তার ছোট ভাই মিজানুর রহমান মিজু সহ তার পরিবারের এক ডজনের অধিক সদস্য কুড়িগ্রাম জেলা ট্রাক, ট্যাংক, কভার্ড ভ্যান ও ট্রাক্টর শ্রমিক ইউনিয়ন- রেজিঃ নং- রাজ-২৪৮৬ এর সদস্য। এই পদ গুলোর ক্ষমতার অপঃব্যবহারের মাধ্যমে চাঁদাবাজী, মাদক, সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা সহ সকল ধরনের অপঃকর্মের মাধ্যমে ছিঁচকে চোর থেকে রাতারাতি তারা কয়েক শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী আরো জানান, মাদক কারবারী আমিনুরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আমিনুরের ছোট ভাই মাদক সম্রাট মিজানুর রহমান মিজুর ভারতীয় জঙ্গি সংগঠন “উলফা” সংশ্লিষ্টতা, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবসা সহ তাদের সমস্ত অবৈধ কর্মকান্ডের ভয়ঙ্কর তথ্য বেরিয়ে আসবে। উক্ত দূষ্কৃতিকারী আমিনুর রহমান, ছোট ভাই মিজানুর রহমান মিজু ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর অপঃকর্মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁর বা তাঁদের বিরুদ্ধে হুমকি-ধামকি, মারপিট, মিথ্যা মামলা, মাদক ও ভ্রষ্টা নারী দিয়ে ফাঁসানো, হলুদ সাংবাদিক দিয়ে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রচার, গুজব ও অপঃপ্রচারের মাধ্যমে প্রতিবাদকারীদের নানাভাবে হেনস্থা করে! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সাধারন জনগন, আওয়ামীলীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জানান, দলের নাম ভাঙ্গিয়ে তাদের অপঃকর্মের ফলশ্রুতিতে অত্র এলাকায় সোনাহাট স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠা সহ আওয়ামীলীগ সরকারের দৃশ্যমান উন্নয়ন সত্ত্বেও আওয়ামীলীগ ও তাঁর অঙ্গ সংগঠন এবং ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের ভাবমূর্তিও মারাত্মক ভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে। এই সব দূূষ্কৃতিকারীর কবল হতে নিষ্কৃতি পেতে তাঁরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here