নাটোরের সিংড়ায় নাছিমার প্রতারণা,গ্রাম থেকে বিতাড়িত করলেন জনগন

0
22
মোঃ বেল্লাল হোসেন বাবু, নাটোর জেলা প্রতিনিধি :
নাটোরের সিংড়া উপজেলার ‌৩নং ইটালী ইউনিয়নের বনকুড়ি গ্ৰামের খাস পাড়া থেকে সমাজের সকল জনগণ বেড় করে দিলেন প্রতারক মোছাঃনাছিমা বেগমকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোরের সিংড়া উপজেলার ৩নং ইটালী ইউনিয়নের বনকুড়ি গ্ৰামের খাস পাড়া থেকে প্রতারণার দায়ে মোছাঃ নাছিমা বেগমকে সমাজ থেকে বেড় করে দিয়েছেন সমাজের সকল জনগণ। কারন জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বৃদ্ধ বলেন,মেয়েটি ছিলো চরিত্রহীন এবং মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আয়নাল হক নামের এক যুবকের সম্মান হানি করেন মোছাঃ নাছিমা বেগম।আগে থেকেই অনেক খারাপ ছিলো এই মহিলা বলেও জানিয়েছেন জনৈক বৃদ্ধ লোকটি। এলাকাবাসী জানায়,মোছাঃ নাছিমা বেগমের বাবার বাড়ি বনকুড়ি গ্ৰামে,তাহার বিয়ে হয়েছিলো ৫নং চামারী ইউনিয়নের গুইটা বিলদহর গ্ৰামে।তাহার সাথে প্রায় ১৫ বছর যাবত সংসার করেন,তাহার স্বামীর নাম বিপ্লব হোসেন। স্বামী থাকা স্বত্বেও তিনি এলাকার বিভিন্ন যুবকের সাথে অবৈধ ভাবে প্রতারণা মূলক চরিত্রহীনতার কর্যক্রম করতে থাকে।
এ বিষয়ে স্বামী বিপ্লব হোসেনের সাথে কথা বলে জানা গেছে,স্ত্রীর স্বভাব চরিত্র ভালো দেখতে না পেয়ে তাকে বারবার সংশোধন হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয় কিন্তু সে আমার কোন কথাই কর্ণপাত না করে উল্টো আমাকে বিভিন্ন ধরনের কথা বলেন এবং বিভিন্ন পুরুষ মানুষের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত হয়ে যায়।তিনি আরো জানান তার একাজে বাধা দিলে স্বামী বিপ্লব হোসেনকে তালাক তালাক দিবে বলে হুমকি দেখায়। স্বামী বিপ্লব হোসেন নিরুপায় হয়ে মোছাঃ নাছিমা বেগমের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।মামলার ৩ মাস ১৭ দিন পড় মোঃ বিপ্লব হোসেন কে তালাক করেন এবং বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে আয়নাল হক নামের একটি ছেলেকে ফাঁসিয়ে দিয়ে সম্মানহানি করেন।মেয়েটি নাটোর জজ আদালতে স্বামী তালাক করার সাথে সাথে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৫০) ও মোঃ শামিম মোল্লার সহযোগিতা বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি ও মামলার ভয় দেখিয়ে অন্য একটি কাজির কাছে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করান মোঃ আয়নাল হক নামের এক যুবককে।
কিন্তু কাজী সাহেব জানতো না সেদিনই মেয়েটি স্বামী তালাক করেছেন। নাছিমা ও আয়নাল হকের বিবাহ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজী বলেন,বিবাহ রেজিস্ট্রারের সময় মেয়েটির জাতীয় পরিচয় পত্র এবং স্বামী তালাকের কাগজ পত্র চাইলে সে দেখাতে ব্যর্থ হন।অবশেষে মেয়েটির বিশেষ অনুরোধে বিয়েটি পড়ানো হয়েছে এবং তাদের তিনদিন সময়ও দেওয়া হয়েছে কাগজ পত্র দেওয়ার জন্য।সে কাগজ পত্র দিতে পারেনি তিন দিন এর মধ্যে। কাজি সাহেব আরো বলেন, আমি জানতাম না যে,মেয়েটি ঐ দিন স্বামী তালাক করে আমার অফিসে ফের বিয়ের জন্য এসেছেন,এখন বিষয় টা জানলাম তাই আমি ৩মাস ১৩দিন পর তাহার কাবিননামার কাগজ দিব,তবুও যদি সে সকল কাগজপত্র জমা দিতে পারেন।
Md Ballal Hossen Babu

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here