পবিপ্রবি’র ভিসি প্রার্থী আবুল কাশেম’র বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ

0
10
 রাজিব হোসেন সুজন, বরিশাল ব্যুরো প্রধানঃ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি দেশের বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় অবস্থিত।
এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।এর মধ্যে অনেকে ভিসি হওয়ার জন্য তাদের সকল প্রচেস্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জানা যায়,কোটি টাকা আত্মসাতকারী ও নারী কেলেংকারী প্রফেসর আবুল কাশেম এখন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রার্থী। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ ঠিকাদারী থেকে শুরু করে নারী কেলেংকারী মালামাল ক্রয়ের টাকা আত্মসাতসহ তার বিভাগের ছাত্রছাত্রীর নানান অভিযোগ। জানা যায়, তৎকালিন বিএনপির সময় ডঃ হাবিবুর রহমান সাদা দলের সভাপতি ছিলেন এবং ঐ সাদা দলের সাধারন সম্পাদক ছিলেন ডঃ আবুল কাশেম চেীধুরী।
এছাড়াও তার বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে যেীনহয়রানির অভিযোগ করেছেন। প্রকল্পের প্রধান মিস্ত্রি হাসেম জানান,কাশেম স্যার নিজেই একজন বড় ঠিকাদার তার প্রকল্পে কোন ঠিকাদারের প্রয়োজন হয় না। নাম প্রকাশ না করা শর্তে একজন ঠিকাদার জানান,নানা কেীশলে জোড়াজোড়ির এক পর্যায়ে ঠিকাদারী লাইছেন ও বিলের চেক না দিয়ে পারলামনা। তবে আমি তার কোন প্রকল্পে কাজ করিনি।তিনি নিজেই উক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে নাম মাত্র কাজ করিয়ে বিলের সব টাকা উত্তোলন করেন। তবে প্রকল্পে বালু ও মাটি ভরাটের কাজ এস,এম এন্টারপ্রাইজ বরিশালের নামে তিনি নিজেই সম্পন্ন করেছেন।নাম মাত্র ২ লক্ষ টাকার মাটি ভরাট করে ৯ লক্ষ টাকার ভূয়া বিল বাউচার বানিয়ে আত্মসাত করেন। লেবুখালী এলাকায় দেলোয়ার হোসেন দুলালের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে প্রজেক্টর ল্যাবের টাইলস বসানোর কাজ সম্পান্ন করে।
১০ লক্ষ টাকার দরপত্র আহবান করে ২ লক্ষ টাকার কাজ করে ৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এছারা বিভিন্ন মালা মাল ক্রয়ের নামে ৫ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন। এভাবে নয় ছয় করে প্রকল্পে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন প্রফেসর আবুল কাশেম।এছাড়াও তার বিরুদ্ধে কেীলিতত্ত বিভাগের এক নারী অধ্যাপিকার সঙ্গে দীর্ঘদিনের গোপন সম্পার্কের অভিযোগ পাওয়া যায়। ঐ অধ্যাপিকার মেয়ের আত্মহত্যার পিছনেও কাশেম চেীধুরীর হাত রয়েছে। এ ধরনের লোক যদি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হয় তবে প্রতিষ্ঠানের উন্নতির চেয়ে ক্ষতি অবধারিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here