ফরিদগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী মুনসুরের বিরুদ্ধে অসহায় পরিবারের ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

0
15

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১নং বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের সেকদী গ্রামের গাজী বাড়ির মৃত লিয়াকত গাজীর ছেলে হাজী সুপার মার্কেটের মুদি দোকানদার মোঃ খলিল গাজীর বসতঘরে ভাংচুর লুটপাট ও চুরির এক গুরতর অভিযোগ করেন একই ইউনিয়়নের পাশের হাজী বাড়ির চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও বহু মামলার আসামি মোঃ মনসুর হাজির বিরদ্ধে। এ বিষয়ে মোঃ খলিল গাজী জানান, ‘আমি একজন মুদি ব্যবসায়ী, ব্যবসা করে আমি আমার পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণ করি।

কিছুদিন পূর্বে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী মনসুর হাজী বাজারে বড় ভাই ছোট ভাই নিয়ে মারামারিতে জড়িয়ে় পড়েন। মুনসুর হাজী ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা এই মুহূর্তে মারামারি জন্য আমার দোকান থেকে রড়, পাইব, কোদাল, শাবাল নিতে আসলে আমি ও আমার ছোট ভাই তাদেরকে বাধা দিয়ে দোকান বন্ধ করে ফেলি। এতে করে সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে় ১৫ ফেব্রুয়ারী রাত ১০ ঘটিকায় সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমার বসতঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলা চালায়। এসময় আমার প্রতিবন্ধী বোন রুমা আক্তার ও আমার ভাই, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী মুনসুর হাজী কে বাধা দিলে মুনসুর হাজী আমার প্রতিবন্ধী বোনকে দা দিয়ে কুপাতে আসে, ভাইকে গলা চেপে বালুর স্তুপে ফেলে রাখে। আমার ঘর, ডাইনিং টেবিল, ওয়ারড্রব, আলমারি ভেঙ্গে ফেলে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে় যায়।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীসহ সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ কামরুল হাসান বাবলু, বালিথুবা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মামুন মজুমদার ও মোঃ আনোয়ার হোসেন মিলন বলেন মুনসুর হাজী একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। অপরাধজগতের এমন কোন অপরাধ নেই যে, যে সকল অপরাধ এমন মুনসুর হাজি করেনি। যখন যেটা মন চায় সে সেটি তার বাহিনী নিয়ে করতে থাকে। সে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে। ইয়াবাসহ ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে কয়েকবার গ্রেপ্তার করে। এছাড়াও তার বিরদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আমরা বহুবার মুনসুর হাজির অপরাধের সালিশি করেও তাকে সংশোধন করতে পারিনি। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ আমরা, তার অপকর্মের কারণে আমাদের ইউনিয়নের সম্মান হানি হচ্ছে। আমরা এই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীর কঠিন বিচার চাই।

এ বিষয়ে মনসুরের মা বলেন, আমার ছেলে সমাজের মানুষের উপকার করে, সে কারো ক্ষতি করে না। আমার ছেলে আওয়ামী লীগের অনেক বড় নেতা, মানুষ অযথা আমার ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে। পুলিশ আমার ছেলেকে কখনো গ্রেপ্তার করেনি ও আমার ছেলের বিরদ্ধে কোন মামলা ও নেই। এ ঘটনার পরে মুনসুর হাজী এলাকা থেকে পলাতক, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে চাইলে সে বলেন, আমি খলিল গাজীর ঘর, বাড়ি, ভাঙচুর করিনি, এবং খলিল গাজী নামে কাউকে আমি চিনিনা। আমি খলিল গাজীর ঘর, ভাঙচুর ও লুটপাট কিছুই করি না এ সকল বিষয়ে় আমি কিছুই জানিনা।

পুলিশ আমাকে ষড়যন্ত্র করে ইয়াবা দিয়ে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু ঘটনার দিন রাতে প্রত্যক্ষদর্শী মনোয়ারা বেগম, রুমা আক্তার ও কাদের মিজি বলেন মনসুর আলীর উপস্থিতিতে ও সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে খলিল গাজীর ঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও চুরি করে। আমরা মনসুর আলীকে বাধা দিলেও, মুনসুর হাজী আমাদেরকে দা দিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে় তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে় এ হামলা চালায়। এ বিষয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুর পাটওয়ারী জানান, আমি উপরিউক্ত ঘটনা সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি এ ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথেই খলিল গাজীর বাড়িতে গিয়ে তার বাড়ি ঘর পরিদর্শন করি। আমি সহ এলাকার যারা সচেতন মহলের লোকজন আছে তাদের সাথে বসে এর একটা সুষ্ঠ সমাধান করে দিবো

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here