বিনা পরোয়ানায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তান গ্রেফতার অবশেষে ক্ষমা চাইলেন দোয়ারাবাজার থানার ওসি স্টাফ

0
10

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বিনা পরোয়ানায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানকে গ্রেফতারের ঘটনায় অবশেষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি দু:খ প্রকাশ করে ক্ষমা চাইলেন দোয়ারাবাজার থানার ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম। এরই মধ্য দিয়ে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই অবসান হলো সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলাধীন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বিরাজমান অনাকাংখিত বিষয়টি।

রোববার সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে অনুষ্ঠিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় দোয়ারাবাজার থানার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম তার বক্তব্যে বলেন আমিও একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, আমার পরিবারে অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। তাই মুক্তিযোদ্ধা সন্তানকে আটকের বিষয়ে দু:খ প্রকাশ করে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে তাদের সাথে করমর্দন করেন তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল মমিন,বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আলী আমজাদ,বীর প্রতীক আব্দুল হালিম, বীর প্রতীক আব্দুল মজিদ,উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুনিয়া সুলতানা,উপজেলা আ” লীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল খালিক,লক্ষীপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আমিরুল হক,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার সফর আলী, সাবেক সাংগঠনিক কমান্ডার মনফর আলী,বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা লালা মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা তাজুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারিক, জমির আলী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় বিনা পরোয়ানায় উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান আনোয়ারকে একই ইউনিয়নের শুড়িগাঁও তার শ্বশুর বাড়ি গ্রেফতার করে ১৫১ ধারার বিধি মোতাবেক বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে তাকে কোর্টে চালান দেয় দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিবাদে ২৬ মার্চ দোয়ারাবাজার থানার ওসি মোহাম্মদ নাজির আলমের প্রত্যাহারের দাবিতে মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটামসহ ২৬ মার্চের সকল কমসূর্চি বর্জন করেন উপজেলাধীন বিক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here