ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগরে ইউএনও এর নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ

0
19

মোঃ নাহিদ সিকদার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার, ইউএনও এর নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামের সরাফত আলীর ছেলে ইকবাল হোসেন। সুত্রে জানা যায়, সীমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, শেখ হাসিনা সড়ক মনিপুর থেকে উত্তর দিকে রাস্তা ”চর ইসলামপুর” ইউনিয়নের বুক চিরে বয়ে রামপুর বাজার হয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে মিলিত হয়েছে। এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে এ সড়কের ভূমিকা অপরিসীম, চর ইসলামপুর ইউনিয়নের নোয়াহাটি এলাকায় পাকা রাস্তার সাথে গড়ে তুলে তাজমহল বেকারি, ২৫ জন কর্মচারীর অক্লান্ত পরিশ্রমে বিগত ২ বছর যাবৎ বেশ সুনামের সাথে ব্যবসা করিয়া আসিতেছেন, এলাকার দাপট শালী কুচক্রী মহলের দৃষ্টি পরে বেকারির উপর, বিভিন্ন ভাবে সুনাম ক্ষুন্নের এবং দোকান উচ্ছেদ সহ আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পায়তারা করতে থাকে, তেমনি ভাবে গত ২ মে ২০২১ ইং রাত ১১.৩০ মিনিটে চর ইসলামপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সুন্দর আলীর ছেলে গাজীউর রহমান (মেম্বার),সঙ্গীয় আব্দুর রহিমের ছেলে নবী হোসেন,কাশেম ভুইয়ার ছেলে খোকা মিয়া সহ বেশ কয়েক জন লোক নিয়ে বেকারিতে এসে তান্ডব চালায় ও কর্মচারীদের মালিককে ডাকতে বলে, গাজীউর রহমান মেম্বারের পূর্ব পরিচিত লোক দ্বারা উপজেলা নির্বাহি অফিসার পরিচয়ে ৫০,০০০ টাকা দাবি করে নতুবা পরদিন ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ২,৫০,০০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হবে। আরো জানা যায়, এ ৫০,০০০ টাকার বিষয়ে কারো সাথে শেয়ার না করতে গাজীউর রহমান (মেম্বার), মালিককে হুশিয়ার করেন। কিন্তু মালিক বিষয়টি এলাকার সাহেব, সরদারগণকে অবগত করিলে, গাজীউর রহমান (মেম্বার),গংরা তার উপর চড়ম প্রতিশোধ নিবে বলে বলা বলি করতে ও সুযোগ খুজতে থাকে,তাই নিরুপায় হয়ে এর বিহিত ব্যবস্থা করতে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করেন। অভিযোক্ত গাজীউর রহমান (মেম্বার) বলেন, আমি প্রতারক চক্রের প্রতারণার শিকার।

এ বিষয়ে চর ইসলামপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো: দানা মিয়া বলেন, ইউএনও সাহেব আমাকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন, আমি উভয় পক্ষকে নোটিস করেছি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিজয়নগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আতিকুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার(মুক্তিযোদ্ধা সন্তান) কেএম ইয়াসির আরাফাত বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমার নাম ভাঙ্গিয়ে মেম্বারের পরিচিত লোকদ্বারা চাঁদা দাবি সত্যিই দু:খজনক, এলাকার চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দিয়েছি,তদন্ত সাপেক্ষে এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here