শরীয়তপুর জেলার গোসাইর হাট উপজেলার নাগের পাড়া ইউনিয়নের সম্রান্ত পরিবারের সন্তান আব্দুল মালেক দপ্তরী কে হত্যার চেষ্টা।

0
78

 

মনজুর আলম ডেস্ক রিপোর্ট:-

শরীয়তপুর জেলার গোসাইর হাট উপজেলার নাগের পাড়া ইউনিয়নের সম্রান্ত পরিবারের সন্তান আব্দুল মালেক দপ্তরী ( বয়স ৮০ বছর) কে হত্যা চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে প্লাস দিয়ে দাঁত উপরে ফেলে এলাকার কিশোর গ্যা়ং সদস্য 1. মোঃ শামীম চৌধুরী পিতা: সেকান্দার চৌধুরী ২. মোঃ ইমন পিতা: লাভলু চৌকিদার ৩। মোঃ আজিজুল পিতা: রেজাউল সরদার,নুর ইসলাম সরদারের নাতী। এরা এলাকায় ইয়াবা এবং গাঁজা বিক্রির মুল হোতা এবং এলাকার মোবাইল চুরি,চেইন ছিনতাই, মোটর চুরির সাথে জড়িত। এরা চুরি করতে ব্যার্থ হলে ডাকাত হয়ে যায় খুন করতে কর্নপাত করে না। এলাকার জনগণ ও গোসাইরহাট থানা পুলিশের সহায়তায় শামীম কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় এবং আজিজুল ও ইমন পলাতক। আজিজুল এবং ইমন কে ধরিয়ে দিতে পারলে পুরুস্কৃত করা হবে।
কি দেখার কথা কি দেখছি?কি শোনার কথা কি শুনছি? এ ধরনের নেক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি কার্যকর করার জোর দাবি জানাচ্ছি।আসুন, কিশোর গ্যাং/সন্ত্রাস দমনে দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রাণের এলাকা তথা আমাদের নতুন প্রজন্ম বাঁচাই। মাদককে না বলি; নতুন প্রজন্মকে সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলি।প্রাণের নাগেরপাড়ার উঠতি বয়সের পোলাপানের এত অবক্ষয়! এগুলো দেখতে হবে; শুনতে হবে ঘূর্ণনাক্ষরেও কোনদিন ভাবিনি!!! যাদেরকে দেখলে দলমত নির্বিশেষে শ্রদ্ধায় মাথা অবনত হয়, আজ নেশায় আসক্ত কিশোর গ্যাং দ্বারা তারাই আক্রান্ত-এগুলো কোন বিবেকবান মানুষ কি মেনে নিতে পারে- জাতির বিবেকবানদের নিকট প্রশ্ন??? এই নেশা খোরদের অত্যাচার থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে, দল-মত নির্বিশেষে এদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এ আঘাত শুধু আব্দুল মালেক দপ্তরীর উপরে নয়; এ আঘাত পুরো সমাজকেই চপেটাঘাত। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নেশাখোর-জুয়ারীদের প্রতিহত করতে হবে। তা না হলে আজ মালেক দপ্তরী, কাল আমি,পরশু আপনি ইভেন আমার/ আপনার মা-বোন, আত্মীয়-স্বজন কেউ রাস্তাঘাটে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারবে না।মাদকে/নেশার ভয়াবহ ছোবলে আমাদের সুখের জনপদ আজ বিভীষিকাময়। আহারে আমাদের সুখের জনপদ/সমাজ!নেশা ও অসুস্থ রাজনীতির ছোবলে পরিচ্ছন্ন সমাজ আজ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। আমাদের ছেলেবেলার অভিভাবক তুল্য পরম শ্রদ্ধেয় মানুষগুলোর চলা-বলা দেখে শিখতে শিখতেই আমরা বেড়ে উঠেছি। তাদের সামনে কখনো মাথা তুলে উচ্চস্বরে কথা বলার সাহস আমাদের হয়নি। আমাদের সমাজের এই মানুষগুলোই সমাজের পিলার হিসেবে কাজ করেছেন। শ্রদ্ধা-সম্মানে মাথা নীচু করে রাখতাম। সর্বদাই হাসিমুখে তারা আমাদের বরণ করে নিতেন। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়- বর্তমান কিছু নেশাগ্রস্ত, বখাটে প্রজন্ম দ্বারা আজ তারাই আক্রান্ত ।শোনা যাচ্ছে- এলাকায় নাকি বাপ-ছেলে একসাথে মিলে নেশা করে। মাদকের বড় ডিলারও নাকি এলাকায় রয়েছে। তারা বাড়িতে বসেই নাকি গাঁজা, ইয়াবা বিক্রি করে এবং খায়।
আমাদের মনে রাখতে হবে নেশাখোর, মাদকাসক্ত, নেশা বিক্রেতা ও জুয়ারীরা কোন রাজনৈতিক দলের হতে পারে না। কোন হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কোন দলের দায়িত্বশীল লোক যেন এই ঘৃণিত নরপশুদের বাঁচাতে মরিয়া হয়ে না উঠে সেদিকেও সবাইকে খেয়াল রাখার অনুরোধ রইলো। সমাজের সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান- আপনার উঠতি বয়সের সন্তান, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন কার সাথে চলছে, কি করছে আজ থেকেই কঠোর নজরদারিতে রেখে কু-প্রভাব/ কু-পথ থেকে বের করে নিয়ে আসুন। অন্যথায় এর খেসারত আজ কিংবা কাল আপনাকে/আমাকে দিতেই হবে; সাথে সমাজ কলুষিত হয়ে তলানিতে পোঁছে যাবে। এমনকি আপনার নেশাগ্রস্ত ছেলে দ্বারা আপনিও আক্রান্ত হবেন যে কোন সময়।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সর্বগ্রাসী মাদকের ভয়াল থাবা থেকে মুক্তি চাই, এলাকাকে মুক্ত করতে চাই।
সম্মানিত_মহোদয়গণের_দৃষ্টি_আকর্ষণ:
সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ/সমাজ হেতৈষী/বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতা/ওয়ার্ড মেম্বার/ ইউপি চেয়ারম্যান/সমাজসেবা অফিসার/শিক্ষা অফিসার/এসি ল্যান্ড/ ইউএনও/উপজেলা চেয়ারম্যান/পুলিশ সুপার/ডিসি/এমপি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here