নোয়াখালীর হাতিয়ায় অস্বাভাবিক জোয়ারে লোকালয় প্লাবিত,পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৫০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

0
24

নুরুন্নবী নবীন, নোয়াখালী প্রতিনিধি ::

নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিম্নাঞ্চলের অনেক লোকালয় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান মো. মেহেরাজ উদ্দিনও জানান, জোয়ারে তার ইউনিয়নের প্রায় সবকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

এতে মরিচসহ আউস ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেসে গেছে শতাধিক মৎস্য খামারের মাছ। এছাড়াও হরনি এবং চানন্দী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারে নোয়াখালীর হাতিয়ার পাঁচটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। দুইটি ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৫০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকোশলী মো. নাছির উদ্দিন জানান, ইয়াসের প্রভাবে হাতিয়ার মেঘনা নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৬-৭ ফুট উঁচু হয়ে জোয়ার এসেছে এর ফলে তমরউদ্দিন ও সোনাদিয়া ইউনিয়নে কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধ উপচে পড়ে ও ভেঙ্গে গিয়ে জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকেছে।

এদিকে হঠাৎ প্লাবিত হওয়া এসব এলাকার মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে পুকুরের মাছ, গো খাদ্য। অনেক এলাকায় মানুষের কাঁচা ঘরবাড়িও ভেসে যেতে দেখা যায়। এ ব্যাপারে হাতিয়া উপজেলা সিপিপি কর্মকর্তা বদিউজ্জামান বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাব ও পূর্ণিমার প্রভাব এক হয়ে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলায় দুযোর্গপূর্ন আবহাওয়া বিরাজ করছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম খান বলেন হাতিয়ার সবকটি ইউনিয়নে জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য ৯ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং শুকনো খাবার ও ত্রাণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়টি নজর রাখছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here