নায়ক সালমান শাহর জন্মদিন বেঁচে থাকলে ৫০ বছরে পা’ দিতেন।

0
12

১৯ সেপ্টেম্বর সবার প্রিয় নায়ক সালমান শাহর জন্মদিন। বেঁচে থাকলে আজ ৫০ বছরে পা দিতেন তিনি। সালমান শাহের নানাবাড়ি সিলেট শহরে। সেখানে জন্ম তার। মা-বাবার অতি আদরের ইমন ছিলেন তিনি। কাছের বন্ধুরাও তাকে ডাকতেন ইমন নামে। সেই ইমন থেকে তিনি গিয়েছিলেন নব্বই দশকের সবচেয়ে দামি ও চাহিদা সম্পন্ন নায়ক। প্রথম সিনেমা দিয়েই তার সাফল্যর সোনার কাঠি ঘরে তোলা। মাত্র ৪ বছরের চলচ্চিত্র জীবনে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা লাভ করেন তিনি। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহানের ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক সালমান শাহর। সালমান শাহ কেবল নায়ক ছিলেন না। গায়কও ছিলেন। শুরুটা করেছিলেন গান দিয়ে। সিনেমায় ব্যস্ততার পর গানটা কমিয়ে দিয়েছিলেন। ছায়ানটে গান শিখেছিলেন তিনি। ছেলেবেলার ও কলেজের বন্ধুরা তাকে প্রথমে গায়ক হিসেবে চিনতেন। মূলত গায়ক থেকে নায়ক হয়েছিলেন সালমান শাহ। সালমান শাহ অভিনীত মোট চলচ্চিত্রের সংখ্যা ২৭টি। তাকে বলা হয় ৯০ দশকের শ্রেষ্ঠ নায়ক। টেলিভিশনেও তার অভিনীত বেশ কিছু নাটক জনপ্রিয়তা পায়। সালমান শাহ ১২ আগস্ট ১৯৯২ সালে প্রেম করে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন চট্টগ্রামের মেয়ে সামিরার সঙ্গে। চলচ্চিত্রে অভিষেকের আগের বছর অর্থাৎ ১৯৯২ সালের ১২ আগস্ট তার খালার বান্ধবীর মেয়ে সামিরা হককে বিয়ে করেন সালমান শাহ। সামিরা ছিলেন বিউটি পার্লার ব্যবসায়ী। তিনি সালমানের দুটি চলচ্চিত্রে তার পোশাক পরিকল্পনাকারী হিসেবেও কাজ করেন। দাম্পত্য জীবনের পাঁচ বছরের মাথায় ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর হঠাৎই সালমানের মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়ে। এদিন ঢাকার ইস্কাটনে নিজ বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার দেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হলেও তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য থেকে যায়। অনেকেই সালমান শাহর মৃত্যুর জন্য তার স্ত্রী সামিরার দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন। পরবর্তীকালে সালমানের পরিবারের পক্ষ থেকে স্ত্রী সামিরা ও আরো কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু পরে এই মামলার আর কোন অগ্রগতি হয়নি। ফলে সালমানের মৃত্যু নিয়ে রহস্য আজও উদঘাটিত হয়নি। ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের তদন্ত বিভাগ জানায় যে সালমান শাহ আত্মহত্যাই করেছিলেন। ১৯৯৬ সালে সালমান শাহর আত্মহত্যার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here