আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন এমপি

0
13

চিফ রিপোর্টার :
শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন, মাঠ সংস্কার, শহীদ মিনার, প্রাচীর নির্মাণসহ একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে লালপুরের মাজার শরীফ টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট উইমেন্স কলেজের উন্নয়নে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল ।
মঙ্গলবার (২২ জুন ২০২১) নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বকুলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন লালপুরের মাজার শরীফ টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট উইমেন্স কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীগণ।
তাঁর বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে তিনি তাৎক্ষণিক ১০ লাখ টাকার অনুদানের ঘোষনা দেন।
সংসদ সদস্য আরো বলেন, কলেজটি দীর্ঘ দিন অবকাঠামো উন্নয়নে অবহেলিত ছিল। ইতোমধ্যে একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য চুড়ান্ত তালিকা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন, মাঠ সংস্কার, শহীদ মিনার, প্রাচীর নির্মাণসহ একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে তিনি সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন ।
এ সময় তাঁর সহধর্মিণী সায়েরা বানু ছায়া এবং একমাত্র সন্তান ইয়াসার আনজুম সোয়াদ উপস্থিত ছিলেন।
মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে তাৎক্ষণিক পারিবারিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দিনটিকে স্মরণিক করে তোলে।

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ইমাম হাসান মুক্তি জানান, কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা ও নারী শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে ২০০১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মাজার শরীফ টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট উইমেন্স কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি ১৬/১০/২০০২ খ্রি. বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃতি পায়। ২০০২-২০০৩ শিক্ষাবর্ষে কম্পিউটার অপারেশন ও সেক্রেটারিয়েল সায়েন্স দুটি স্পেশালাইজেশনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করে। মে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভূক্ত হয়।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে নিরলস ভূমিকা রেখেছেন। প্রশাসনিক দক্ষতায় একঝাঁক তরুণ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়ে সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির ছাত্রী সংখ্যা, শিক্ষার মান, পরিবেশ মনোরম। কর্মমুখী ও যুগোপযোগী শিক্ষা, বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে জনস্বার্থে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষ হতে হিসাব রক্ষণ (তৃতীয়) স্পেশালাইজেশন সংযোজিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উন্নতি সাধন, মানোন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করণ, দারিদ্র বিমোচন, নারী শিক্ষার প্রসার, কর্মমুখী ও যুগোপযোগী শিক্ষা বিস্তার, সর্বপরি আদর্শ বিদ্যাপীঠ হিসেবে গড়ে তুলতে এগিয়ে চলেছে।
তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here