নগরঘাটা কালি মন্দির ও দূর্গা মন্দির নিয়ে মনমালিন্য দূর করলেন ঘোষ সনৎ কুমার

0
6
মোঃ মামুন হোসেন,সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার নগরঘাটা কালিবাড়ি দুর্গা মন্দিরটি উন্নয়নের জন্য সাতক্ষীরা হিন্দু কল্যাণ ট্রাষ্ট এ আবেদন করেন উক্ত এলাকার নগরঘাটা কবি নজরুল বিদ্যাপীঠের শিক্ষক তপন মালাকার, প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব দাশ ও বিধান চক্রবর্তী। এসময় মন্দিরের জমির দলিলসহ অন্যান্য কাগজপত্র প্রয়োজন হয়। প্রয়োজনীয় এ কাগজপত্রে ১৯২৭ ও ১৯৬২ রেকর্ট অনুযায়ী ৫৭১৮ দাগ নম্বরের জমির খতিয়ানে দেবালয় বলে উল্লেখ ছিল। যেটা পরবর্তিতে ১৯৯১ সালের মাঠ জরিপে দেবালয়ের স্থানে বাগান উল্লেখ করা হয় ও একই জায়গায় একটি দূর্গা মন্দির ও একটি কালি মন্দির থাকার কারণে এলাকার কয়েকঘর ব্রাম্মণদের সাথে পক্ষ বিপক্ষ সৃষ্টি হয়। তালা উপজেলায় মোট ৪ টি মন্দির সরকারি অনুদান পেয়েছে যার মধ্যে নগরঘাটা কালিবাড়ি দূর্গা মন্দিরও এ অনুদান পেয়েছে ।
এই সমস্যা সমাধানের জন্য ৪ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩ টার সময় পূজা মন্দির প্রাঙ্গণে তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার ও নগরঘাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপু’র উপস্থিতে আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দের অবসান ঘটান। উপস্থিত সকলে সম্মতি দেন যে দূর্গা মন্দির ভাঙার পরে সকল ইট, চাল ও লোহার গ্রীল গুলো কালি মন্দির নির্মাণের জন্য দেওয়া হবে ও এলাকাবাসির অর্থায়নে কালি মন্দির নির্মাণ করা হবে। এই খুশিতে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সহ অনেকে কালি মন্দির নির্মাণের জন্য ব্যক্তিগত ভাবে অর্থ দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন আঃলীগের সভাপতি আক্তার-উল আলম, ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনোরঞ্জন মন্ডল, উপজেলা পূজা উৎযাপন কমিটির সহ সভাপতি নারায়ন মজুমদার, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের তালা উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ মুখার্জি। আরো উপস্থিত ছিলেন, দূর্গা মন্দির কমিটির শিক্ষক সরজিত ঘটক, ডাঃ সরজিত মল্লিক, শান্তিপদ ব্যানার্জী, সমরেন্দ্র ব্যানার্জী প্রমূখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here