নাগরপুরে হাসপাতাল সংলগ্ন সেতু ঝুঁকিপূর্ন রোগীদের দূর্ভোগ দূর্ঘটনার আশংকা

0
34

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জরুরী রোগী পরিবহনের প্রধান সড়ক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংলগ্ন সেতুটি দীঘদিন ধরে ঝুকিপূর্ন অবস্থায় পরে থাকলেও এখনো পযর্ন্ত মেরামতের কোন উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে চরম দূর্ভোগে ঝুঁকি নিয়ে হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবা নিতে হচ্ছে রোগীদের।

এছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ সেতুটি ধসে পরে যে কোন সময় বড় ধরনের দূঘটনার আশংকা করছেন স্থানীয়রা। সূত্রে জানা যায়, নাগরপুর দরগ্রাম ভায়া ছনকা বাজার সড়কের নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত সেতুটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। সেতুর মাঝখানে দেবে গেছে, দুই পাশের রেলিং ভেঙ্গে ঝুলে আছে। বেশির ভাগ পিলারের পলেস্তারা ওঠে গেছে। বেরিয়ে পরেছে রড। স্থানীয়দের অভিযোগ গত এক সপ্তাহ আগে এক পাশে ভেঙে দেবে গেলেও ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে হাজারো মানুষ ও যানবাহন। যে কোনো সময় সেতুটি ভেঙে পড়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। সেতুর কোন পাশেই লাগানো হয়নি ঝঁকিপূর্ণ লেখা সংবলিত সতর্কীকরন সাইনবোর্ড। করা হয়নি বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা ।

আর এই সড়ক দিয়েই প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, সাটুরিয়া সহ ঢাকার যাত্রীরা। ব্রীজের ঢালের মুদি দোকানী আব্দুস ছালাম (৬৯) বলেন, নাগরপুর দরগ্রাম ভায়া ছনকা বাজার সড়কের নাগরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন খালের ওপর সেতুটি নির্মিত হয় বাংলাদেশ স্বাধীনের আগে। এত বছর আগে সেতুটি নির্মিত হলেও আজ অবধি শুধুমাত্র রেলিং রং করা ছাড়া সেতু আর কোন প্রকার সংস্কার করা হয়নি। দীর্ঘ এত বছর ধরে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন যাবৎ সেতুর ওপর দিয়ে অতিরিক্ত মালবাহী যানবাহন চলাচল করায় সেতুর একপাশ ভেঙে দেবে গেছে। মনে উৎকষ্ঠা আর ঝুঁকি নিয়ে সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। আজাদ নামে এক যুবক বলেন, সেতুটির ওপর দিয়ে চলাচলের সময় ভয়ে থাকতে হয়, কখন যেন এটি ভেঙে পড়ে। এমন আশঙ্কা নিয়ে ওই সেতুর ওপর দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত চলাচল করছি আমি সহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মাহবুবুর রহমান বলেন, পাশে কোন বিকল্প রাস্তা নেই। তাই আমি জনসাধারনকে অনুরোধ করছি তারা যেন আপাতত নাগরপুর চৌরাস্তা হয়ে হাসপাতালের মাঠের পাশ দিয়ে চলাচল করেন। তিনি আরো বলেন সেতুটি পুনর্নির্মাণের জন্য চেষ্টা করছি। আশা করছি খুব দ্রুতই পুনর্নির্মাণ করতে পারবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here