মোহনগঞ্জ হাসপাতালের রেফার্ডকৃত রোগী সিড়ি বেয়ে গেলই প্রসব

0
5

 রিপোর্টঃ বিডি স্টার টিভি নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি আব্দুর

নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ হাসপাতালে যেকোন প্রসুতি রোগী চিকিৎসা নিতে গেলেই রোগীকে ময়মনসিংহ রেফার্ড করে দেন। পরবর্তীতে হাসপাতালের সিড়িতে অথবা আবার লেবার ওয়ার্ডে নেয়ার পর বাচ্চা প্রসব হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তেমনি বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪ টায় অত্র মোহনগঞ্জ সদর হাসপাতালে একটি ঘটনাটি ঘটেছে। প্রসুতি মা রাশিদা (২২) উপজেলার ৫ নং সমাজ সহিলদেও ইউনিয়নের শাকরাজ গ্রামের বাদিছ মিয়া স্ত্রী। স্বজনরা জানায়, অসুস্থ অবস্থায় আজ সকালে প্রসুতি রোগী রাশিদাকে মোহনগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে জরুরী বিভাগ থেকে দু-তলা ডেলীভারী ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। তাকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়ার পর জটিল বলে সকাল ৮টায় ময়মনসিংহে রেফার্ড করে দেন চিকিৎসক। এসময় দায়িত্ব পালনরত নার্স রিনা পাল যথাযথ নিয়মে রেফার্ডকৃত কাগজ ধরিয়ে দেন। গরীব রাশিদার স্বজন কিভাবে ময়মনসিংহ যাবে, টাকা কিভাবে যোগাড় করবে চিন্তা করে আধা ঘন্টা সময় অতিবাহিত হয়।

এরমধ্য পরিচিত একজনের সাথে দেখা হলে হাউ মাউ করে কান্না শুরু করে। এ অবস্থায় দয়াবশত তিনি গর্ভবতী মহিলাকে নিয়ে লেবার ওয়ার্ডে গিয়ে দায়িত্ববান কর্মকর্তার সাথে কথা বলে ভর্তি করে চিকিৎসার অনুরোধ করেন। তারপর রেফার্ডকৃত রোগীর আবার চিকিৎসা শুরু হলে সকাল ১০ টায় স্বাভাবিক ভাবে বাচ্চা প্রসব হল। বিকাল ৩ টার সময় লেবার ওয়ার্ডে রাশিদা ও তাদের স্বজনের সাথে কথা হলে অপকটে এসব স্বীকার করেন। আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সুবীর সরকার সত্যতা স্বীকার করেন। লেবার ওয়ার্ডে বাচ্চা প্রসব হলে বিভিন্ন অজুহাতে ১/২ হাজার টাকা, খাবার সামগ্রী নেয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নরমাল রোগী এখন রেফার্ড করে দেন। উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারী রেফার্ডকৃত প্রসুতি রোগী সিড়িতে বাচ্চা প্রসব হল। আজ রেফার্ডকৃত রোগী সিড়ি বেয়ে আবার লেবার ওয়ার্ডে যাওয়ার পর বাচ্চা প্রসব হল। বারবার এ ধরনের ঘটনায় চিকিৎসা সেবা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here