দহগ্রাম মদিনাতুল উলূম মহিলা মাদ্রাসা’র নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ

0
73

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম মদিনাতুল উলূম মহিলা মাদ্রাসা’র নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দহগ্রাম মদিনাতুল উলূম মহিলা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। গত ১৬ই মার্চ ২০২১ রোজ মঙ্গলবার কয়েকটি নিবন্ধনহীন অনলাইন পত্রিকায় মাদ্রাসাটির বিরুদ্ধে মিথ্যা নিউজ প্রকাশিত হয় এই সংবাদের ভিত্তিতে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দহগ্রাম মদিনাতুল উলূম মহিলা মাদ্রাসা’র শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।

এলাকাবাসীরা জানান, এ মাদরাসায় ১২০ জন ছাত্রী লেখাপড়া করেছে, আমাদের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। আদৌ এ প্রতিষ্ঠানে কোন প্রকার অনিয়ম হয়নি এবং সভাপতি জনাব আলহাজ্ব আব্দুল মমিন এবং সাধারণ সম্পাদক , খলিলুর রহমানের সঠিক দিকনির্দেশনা ও পরিচালনায় গরিব শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তাসহ যে কোন বিষয়ে সহযোগিতা করেন। তাদের মতো সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক এর পূর্বে কেউ ছিল না।একটি কুচক্রী মহল প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কে বাধাগ্রস্থ্য করার জন্যই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এলাকাবাসীরা জানান যেহেতু দহগ্রাম একটি দেশের আলোচিত অঞ্চল এই অঞ্চলে এরকম একটি প্রতিষ্ঠান হাওয়াই শিক্ষার্থীরা অনেকটাই ধার্মিক শিক্ষাসহ অনেকাংশেই এগিয়ে , আমরা চাই এই মাদ্রাসার হাত ধরেই এগিয়ে যাক দহগ্রামের মেয়েরা ‌।

এ বিষয়ে দহগ্রাম মদিনাতুল উলূম মহিলা মাদ্রাসার মাওলানা আরিফুল ইসলাম বলেন, পাটগ্রাম উপজেলার মধ্যে দহগ্রাম মদিনাতুল উলূম মহিলা মাদ্রাসাটি অল্প সময়ের মধ্যে এগিয়ে যাওয়ার কারণে এই অপ্রত্যাশিত ও মিথ্যা নিউজ প্রকাশিত করেছে কয়েকটি নিবন্ধনহীন অনলাইন পোর্টাল, মাদ্রাসা সম্পর্কে বলা হয়েছে মাদ্রাসার টিউবওয়েলের পানিতে এত পরিমাণ আয়রণ যে ওই পানি পান করা,ভাত তরকারি রান্না করাসহ গোসল অনুপযোগী। তারপরও শিক্ষার্থীরা চাপে পড়ে সেই পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হওয়ার কারণে অনেকের শরীরে নানা রোগ বালাই বাসা বেঁধেছে।মানসম্মত খাবার,নিয়মিত চিকিৎসার অভাবে অনেক মেয়ে পড়ার চাপে মানসিক ও শারিরীকভাবে অসুস্থ্য এই নিউজটি একটি বানোয়াট এবং মিথ্যা।

কোন সাংবাদিক এ ধরনের মিথ্যা নিউজ প্রকাশিত করেছেন তাদেরকে বলতে চাই আপনারা আমাদের মাদ্রাসার সঠিক তথ্য না জেনেই এই মিথ্যা নিউজ প্রকাশিত করার কারণ কি। আপনারা সংবাদ প্রকাশ করেছেন মাদ্রাসার টিউবওয়েলে আয়রন থাকায় তা পান করারও অনুপযোগী এটা মিথ্যা একটি তথ্য। আমাদের মাদ্রাসায় দুই টি টিউবওয়েল এবং গভীর নলকূপ থেকে পানি উত্তোলনের একটি পাম্প রয়েছে যার ফলে শিক্ষার্থীদের পানি ব্যবহারে জন্য সুবিধাজনক । এবং চারটি মহিলা টয়লেট রয়েছে যা সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হয় , শিক্ষার্থীদের জন্য একজন কাজের মহিলা রয়েছে , এবং এখানে কোন বাসি খাবার শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো হয় না । যারা আমাদের মাদ্রাসা সম্পর্কে লিখেছেন তারা তথ্য না জেনেই লিখেছেন।

আমাদের এখানে ১২০ জনের মতো শিক্ষার্থী রয়েছে এর মধ্যে আবাসিক রয়েছে ৮০ জনের মতো , এবং এতিম শিক্ষার্থী রয়েছে ১৫ জনের কাছাকাছি এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য বেতন এবং মিল খরচ আমরা ফ্রি করেছি। আমাদের মাদ্রাসাটি ২৩ জনের একটি পরিচালনা কমিটি রয়েছে যাদের দিকনির্দেশনা, সহযোগিতা এবং সুদীপ্ত মেধার ধারাবাহিকতায় এই মাদ্রাসার কার্যক্রম এবং পরিচালিত হয়ে আসছে দহগ্রাম মদিনাতুল উলূম মহিলা মাদ্রাসা ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here