করোনা ভাইরাসের টিকা পেয়ে স্বস্তিতে কাপাসিয়া বাসি, কমে এসেছে সংক্রমন ও মৃতের সংখ্যা

0
17

 আকরাম হোসেন (রিপন), কাপাসিয়া:

করোনা মহামারি সময়ে গাজীপুরের কাপাসিয়া ছিল বাংলাদেশের রেড জোন এলাকা এখন তা কমে আসলেও থেমে যায়নি। বর্তমানেও মানুষ পার করছে দুর্বিষহ জীবন। তাই সঠিক সময়ে টিকা পেয়ে অনেকটাই স্বস্তিতে কাপাসিয়া বাসি।

আজ বুধবার পর্যন্ত এ উপজেলায় সর্বমোট করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা ৪৮২ জন, মৃতের সংখ্যা ১১, সুস্থ্য হয়েছেন ৪৭০ জন, চিকিৎসাধিন রয়েছেন- ১জন। কাপাসিয়া উপজেলা রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ৬৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে ঐতিহ্যবাহী শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে ৩৫৭ বর্গকিলোমিটার জায়গা নিয়ে বিস্তৃত। এলাকাটি ঢাকার কাছে এবং যোগাযোগ ব্যাবস্থা ভাল থাকায় বিভিন্ন এলাকার লোকজনের আনাগোনা অনেক বেশি হওয়ায় অন্যান্য উপজেলার তুলনায় এই এলাকায় করোনার সংক্রমণ একটু বেশিই ছিল।

তবে সময়মতো টিকা পাওয়ায় কমে এসেছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। টিকায় তেমন কোন পার্শ প্রতিক্রিয়া না থাকায় স্ব-উদ্দোগে তা গ্রহন করছে কাপাসিয়ার সম্মুখ যোদ্ধা সহ সাধারণ মানুষ। টিকা নেয়ার পর অভিব্যাক্তি ব্যাক্ত করে নাজমুল হোসেন ভূইয়া, রঞ্জিত কুমার দাস, পারভেজ মোহাম্মদ দোলন জানায়, ভেবেছিলাম টিকা নেয়ার সময় ব্যাথা পাব কিন্তুু টেরই পেলামনা। টিকা নিতে তেমন কোন অসুবিধা হয়নি টিকায় আমাদের তেমন কোন পার্শ প্রতিক্রিয়াও হয়নি। নিজের ও পরিবারের এবং দেশের স্বার্থে সকলের টিকা নেয়া উচিৎ এতে ভয় পাবার কোন কারণ নেই। উপজেলা টিকা প্রদান কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাঃ ইসমত আরা জানায়, আমি নিজে টিকা নিয়েছি আমার কোন সমস্যা হয়নি। আমি সকলকে টিকা নেয়ার অনুরুধ করছি। টিকা নিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বঙ্গতাজ কন্যা সিমিন হোসেন রিমি এবং তিনি মাঝে মধ্যেই কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে টিকা কার্যক্রম পরিদর্শন করে আসছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম সরকার জানান, আমি নিজে টিকা নিয়েছি আমার হাসপাতালের যাদের টিকা নেয়ার সক্ষমতা আছে ডাক্তার-নার্স এবং সকল কর্মচারীরা টিকা নিয়েছেন। আমরা সকাল আট ঘটিকা খেকে বিকাল চার ঘটিকা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে টিকা দিয়ে আসছি এ পর্যন্ত টিকা প্রদানের সংখ্যা সারে সাত হাজার ছাড়িয়েছে। টিকা নেয়ার পর গুরুতর কোন সমস্যা হয়েছে বা টিকার প্রভাবে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে এমন কোন বিষয় নেই। হাসপাতালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টিকা প্রদানের স্থান ও স্পট রেজিষ্ট্রেশনের স্থানে দীর্ঘ লাাইন তবে টিকা প্রদানকারী নার্সরা জানায়, টিকা নিয়ে সকলেই হাসি মুখে বাড়ি যাচ্ছে এটাই আমাদের আনন্দ। এক সঙ্গে অনেকই চলে আসলে টিকা নেয়ার জন্য একটু অপেক্ষা করতে হয়। আমরা টিকাটা সঠিক ভাবে প্রয়োগের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছি। রেজিষ্ট্রেশন করে আসা কোন ব্যাক্তিকেই এ পর্যন্ত টিকা না নিয়ে ফেরত যেতে হয়নি। টিকা নেয়ার পর আধাঘন্টা আমরা পর্যবেক্ষনে রাখি এ পর্যন্ত কারো সমস্যা হতে আমরা দেখিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here