বসন্ত নয়’ তবুও ফাগুনের ছোঁয়া পর্যটকের ভিড় কুয়াকাটায়

0
10

 জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, কুয়াকাটা, (কলাপাড়া) প্রতিনিধি:-

কুয়াকাটা ঝিনুক মালা, মুক্তা মতির হার, আসলে তোমায় খাওয়াইব তোমায় বার্মিজ আচার ।ভ্রমণ পিপাসুদের অন্যতম আকর্ষণের জায়গা কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত।

কারণ এটিই দেশের একমাত্র সমুদ্র সৈকত যেখান থেকে সুর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। তাই ২১ শে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি সামনে ফাল্গুনের শুভেচ্ছার ছুটি আর সাপ্তাহিক ছুটি তো আছেই সব মিলিয়ে রূপ যৌবনে ভরা কুয়াকাটা লম্বা ছুটির অবসরে এই সাগর তীরে চলে আসেন ভ্রমণ প্রিয় মানুষ। এবারে এই ছুটিতেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। এরইমধ্যে কুয়াকাটায় হাজারো পর্যটক, আজ শুক্রবার পর্যটকরা ঘিরে রেখেছে সমুদ্র সৈকত। আর পর্যটকদের বরণে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে হোটেল-মোটেলগুলো। পাশাপাশি তাদের পক্ষ দেয়া হয়েছে বাড়তি সুযোগ সুবিধা।

এবং পর্যটকদের জন্য সমুদ্র পথে ভ্রমণের জন্য রয়েছে নানা পরিকল্পনা। মহামারী করোনাভাইরাসে অনেকদিন যাবত ঘর বন্দী থাকায় অস্থির ছিল ভ্রমণপিপাসুরা। লম্বা ছুটিতে ঘর বন্দী থেকে বেরিয়ে মুক্ত বাতাসে চলে এসেছি সমুদ্রের পাড়ে। মূলত কুয়াকাটা পর্যটকদের কাছে সাগর কন্যা হিসেবে পরিচিত। ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এটিই বাংলাদেশের একমাত্র সমুদ্র সৈকত যেখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটিই দেখা যায়। এছাড়া পর্যটকদের বাড়তি আকর্ষণ থাকে লাল কাকড়ার চর, গঙ্গামতি, লেম্বুরবন কুয়াকাটা বৌদ্ধ মন্দিরসহ এখানকার দর্শনীয় স্থানগুলোর প্রতি। পাশাপাশি এখানকার রাখাইন বাজারের প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণও থাকে বেশ।

এবং সমুদ্রপথে সুন্দরবনের পূর্ব অংশ ফাতরার বন, চর বিজয় আমন্ত্রণ জানাতে ব্যস্ত অতিথি পাখি। ঢাকা থেকে আসা পর্যটক সানজিদা খাতুন বলেন, ২০০৫ সালে একবার এসেছিলাম তখন এতটা উন্নত ছিল না কুয়াকাটা, কিন্তু এবার ভ্রমণে এসে অনেক আনন্দ ফিল করছি, আসতে কোন সমস্যা হয়নি সুন্দর হয়েছে রাস্তাঘাট, সাথে সাথে ঝালকাঠি সরকারি কলেজের ছাত্র, নাঈম হোসেন জানালেন যে, আমি প্রথমবার কুয়াকাটা এসেছি, অনেক আনন্দ করেছি বিশেষ করে কুয়াকাটার ফিস ফ্রাই মজাদার সুস্বাদু এবং কেনাকাটায় অনেক সুযোগ সুবিধা পেয়েছি এদিকে, পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এবার ছুটি বেশ লম্বা হওয়ায় আগামী কয়েকদিন পর্যটকদের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়বে। মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিছুটা হল পুষিয়ে উঠতে পারব বলে মনে করছেন , আরো বলেন পর্যটকদের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে রয়েছে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা। কুয়াকাটা ভ্রমণ স্থান গুলোতে মহিপুর থানা পুলিশ ও কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ জোনের, কঠোর নজরদারি। পর্যটকদের জন্য ঘন্টায়, ঘন্টায়, মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে কুয়াকাটার সমুদ্রের সতর্কবার্তা। সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here