যশোর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বেনাপোল পৌরমেয়র

0
17

মোঃ আবু বাক্কার সিদ্দিক বেনাপোল প্রতিনিধি

আশরাফুল আলম লিটন বলেন, আজ বিশ্বমানবতার মা, ডিজিটাল দেশের রূপকার , বিশ্বনন্দিনী প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন। অন্ধকারে আলোর বাতিঘর হলেন শেখ হাসিনা। ১৯৪৭ সালের এই দিনে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। শেখ হাসিনা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের বড় সন্তান। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে ছাত্রজীবন থেকে প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েট ডিগ্রি অর্জনকারী শেখ হাসিনা তৎকালীন ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা ছিলেন। গ্রামবাংলার আনাচে কানাচে পথেপ্রান্তরে শতশত মাইল হেঁটে ১৯৭৫ সালের পর বিধ্বস্ত আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করেছিলেন আজকের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা অন্ধকারে আলোর প্রদীপ জ্বেলেছেন। সোমবার শার্শা অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় মেয়র লিটন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের নিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেন। শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, মহিলা যুবলীগ এর আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে এ দোয়া ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি উলাশী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহিদুল আলম। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল কেক কাটা, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, মিলাদ ও দোয়া, প্রার্থনাসভা এবং দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ। প্রধান অতিথি মেয়র লিটন আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে যখন সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল; তখন আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন জার্মানে। তিনি এদেশের দুখি মানুষের কথা ভেবে তার পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য দেশে ফিরেছিলেন। যে দেশ দীর্ঘ নয়মাস রক্ষক্ষয়ী যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে; সেই দেশের মুক্তিযোদ্ধারা যখন রাস্তায় ভ্যান-রিকশা চালাচ্ছে, রাস্তায় জুতায় কালি করছে। সেই মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রাণ কেঁদে উঠে। তাই তিনি অসহায় পঙ্গু জামাত-বিএনপি দ্বারা নির্যাতিত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চালু করলেন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এবং মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন নিশ্চিত করেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের। আজ সেই নেত্রীর জন্মদিন। আপনারা আজ যে দুঃখ-কষ্ট-বেদনা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তার সমাপ্তি ঘটবে। আজকের প্রকৃত আওয়ামী লীগ এই শার্শায় নির্যাতিত হচ্ছে। আপনারা মনে রাখবেন শার্শার মালিক কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয়। শার্শার মালিক শার্শার মানুষ। আপনারা কারো গোলাম নন। আপনারা রাজনীতি করেন জননেত্রীর শেখ হাসিনার রাজনীতি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি। তাই কোন ব্যক্তির হুমকিধামকিতে ভয় না পেয়ে আপনারা সাহসের সাথে ধৈর্যের সাথে, আদবের সাথে রাজনীতি করেন। যদি কেউ এরপর থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অত্যাচার-নির্যাতন-নিপীড়ন করে তাকে আর ছাড় দেওয়া হবে না। তাকে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার জন্য সকলে প্রস্তুত থাকুন। আপনারা মনে রাখবেন যে ব্যক্তি আজ শার্শার মাটিতে জামাত-বিএনপিকে দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছে, বিভাজন বিভেদ সৃষ্টি করছে, তাতে আওয়ামী লীগের এই শার্শায় ভোট কমছে। বাড়ছে জামাত-বিএনপির ভোট। আর চাপের মুখে আছে প্রকৃত ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here