মগজ খেকো এমিবা ধেয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রজুরে সতর্কতাজারী

0
192

ফ্লোরিডার স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে অ্যামিবায় এখন পর্যন্ত ১৪৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন। এর মধ্যে মাত্র চারজন বাঁচতে পেরেছেন!
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে সাপ্লাইয়ের পানিতে এক ধরনের ‘বিরল অ্যামিবা’র উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর ৮টি শহরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মুক্তজীবী ও এককোষী ওই প্রাণী মানুষের শরীরে ঢুকতে পারলে তার মস্তিষ্ক ধ্বংস করে দেয়।

দ্য টেক্সাস কমিশন অন এনভায়রনমেন্টাল কোয়ালিটি জানিয়েছে, ‘কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সবাইকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পানিতে পাওয়া সেই অ্যামিবা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।’

 

‘নাইজেলরিয়া ফ্লাওয়ারি’ নামের এই অ্যামিবার সন্ধান এর আগে পাকিস্তানে পাওয়া যায়। ২০১২ সালে দেশটিতে এর কারণে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। এটি সাধারণত সাঁতারের সময় নাক দিয়ে প্রবেশ করে। ‘নাইজেলরিয়া ফ্লাওয়ারি’কে বিজ্ঞানীরা ‘মগজ খেকো’ অ্যামিবাও বলে থাকেন।

‘নাইজেলরিয়া ফ্লাওয়ারি’ পানির মাধ্যমে ছড়ায়। মস্তিষ্কে ঢুকে স্নায়ু ধ্বংস করে ফেলে। নদী, পুকুর, হ্রদ ও ঝরনার পানি যেখানে উষ্ণ, সেখানে এ ধরনের অ্যামিবা বাস করে। এ ছাড়া শিল্পকারখানার উষ্ণ পানি পড়ে এমন মাটি ও সুইমিংপুলেও এর অ্যামিবার দেখা মেলে।

এই অ্যামিবা মস্তিষ্কে ঢুকে পড়লে মারাত্মক কোনো উপসর্গ দেখা যায় না। প্রাথমিক অবস্থায় লক্ষণ থাকে হালকা মাথা ব্যথা, ঘাড় ব্যথা, জ্বর ও পেট ব্যথা।

১৯৬২ সাল থেকে ফ্লোরিডায় অ্যামিবার ৩৭টি ঘটনার কথা শোনা গেছে। মারাত্মক ক্ষতিকর এই অ্যামিবা থেকে দূরে থাকতে সাঁতারের সময় বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে বলছেন বিজ্ঞানীরা। নাক দিয়ে যেন কোনোভাবে পানি প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

 

এর কারণে ফ্রিপোর্ট,ওইস্টা ক্রিক, অ্যাংলেটন,লেক জ্যাকসন, ব্রাজোরিয়া, রিচউড, ক্লুট-রোজনবার্গ এবং সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে টেক্সাসের বাসিন্দাদের ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here