লালপুরের কৃতি সন্তান প্রকৌশলী এ কে এম শামসুদ্দিন আর নেই

0
10

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:
নাটোরের লালপুর উপজেলার কৃতী সন্তান প্রকৌশলী এ কে এম শামসুদ্দিন আর নেই। তিনি শনিবার ৮ জানুয়ারি ইন্তেকাল করেছেন । রবিবার মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৮ জানুয়ারি ২০২২) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লালপুরের কৃতী সন্তান প্রকৌশলী এ কে এম শামসুদ্দিন ইন্তেকাল করেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে, ৫ মেয়েসহ অসংখ্যগুণগ্রাহী রেখে যান। রোববার (৯ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

লালপুর উপজেলার নিমতলী গ্রামে ১৯৩৯ সালের ২৬ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন এ কে এম শামসুদ্দিন। পিতা মরহুম বশারত উল্লা। তিনি ১৯৬১ সালে তৎকালীন আহসান উল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) হতে যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগে বিএসসি (ইঞ্জিনিয়ারিং) ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৬১ সালে তিনি ওয়াপদা (পাওয়ার)-এ সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬৭-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন। ১৯৭৬ সালে বৃটিশ সরকারের বৃত্তিতে বিদ্যুৎ বিতরণ বিষয়ে ইংল্যান্ডে এক বছরের উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৮১ সালে তিনি বিশ্ব ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে বিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই মাসের প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৮৩ সালে তিনি সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রকৌশল উপদেষ্টা ও ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি ইংল্যান্ড, রাশিয়া, আমেরিকা, পাকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, ভারত, জার্মনী, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের ফেলো ও বিশ্ব ব্যাংকের ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউশনের অনারারী ফেলো ছিলেন।
সমাজসেবক হিসেবে তিনি লালপুরে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতা পরবর্তীতে নদীগর্ভে বিলীন ৩০টি গ্রামের মানুষের ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here