এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সিদ্ধান্ত জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

0
7

বিডি ডেস্ক:

আগামী ৩০ মার্চ দেশের সব স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আসন্ন রমজান মাসে ক্লাস বন্ধ রাখার কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি।

এছাড়া পূর্বঘোষিত জুন মাসে হচ্ছে না এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এদিকে আগস্টে নির্ধারিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও হচ্ছে না। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসির ৬০ দিন ও এইচএসসির ৮৪ দিন ক্লাস ধরে পরিমার্জিত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছে শিক্ষাবোর্ড। এ সিলেবাস শেষ করেই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, জুন মাসে পরীক্ষা হবে এটা আগে বলেছিলাম। এখন পরিস্থিতি অন্যরকম। যখনই স্কুল কলেজ খোলা হবে তখন থেকে এসএসসির ক্ষেত্রে ৬০ কর্মদিবস এবং এইচএসসির ক্ষেত্রে ৮৪ কর্মদিবস সরাসরি ক্লাস নেওয়ার পর আরও সপ্তাহ দুয়েক সময় দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে এসএসসি পরীক্ষা জুলাইয়ে চলে যেতে পারে। দীপু মনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগে শিক্ষক কর্মচারীদের টিকা দেয়ার কাজ শেষ করা হবে। পুরো রোজায় ক্লাস বন্ধ রাখার পরিকল্পনা নেই। শুধু ঈদের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ক্লাস ফাইভে সপ্তাহে ৫ দিন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে ৬ দিন এবং বাকিদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে ১ দিন করে ক্লাস হবে। এর আগে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার তারিখ ঘোষণা করেন। এদিন তিনি বলেন, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ২৪ মে থেকে শুরু হবে এবং হল খুলবে ১৭ মে।

এর আগে সব ধরনের পাঠদান ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। ১৭ মে এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের করোনা টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া বিসিএস পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষার তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নির্ধারণ করা হবে। গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। গত ২২ জানুয়ারি করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে গাইডলাইন প্রকাশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। এ গাইডলাইন অনুসরণ করে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। স্কুল-কলেজগুলোতে ৩৯ পাতার গাইডলাইন পাঠিয়ে বলা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্কুলগুলো প্রস্তুত করে রাখতে, যাতে যে কোনো মুহূর্তে সেগুলো খুলে দেয়া যেতে পারে। উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে গোটা বিশ্বকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের এই প্রতিকূল স্রোতের মুখোমুখি বাংলাদেশও। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মতো বাংলাদেশের জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষা খাত। প্রায় ১২ মাস ধরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। কিছু ক্ষেত্রে অনলাইনে কার্যক্রম চলমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here