করোনার উর্ধগতীতে আবারও ব্যাস্ত হয়ে উঠেছেন কাপাসিয়ার ইউ এনও ইসমত আরা

0
44

আকরাম হোসেন রিপন(কাপাসিয়া),

করোনা কালীন সময়ে করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তিদের থেকে মানুষ যতটা দুরে থাকতে চায় তারি উল্টো গাজীপুরের কাপাসিয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাঃ ইসমত আরা তখন বটবৃক্ষের ছায়ার মতো রাত দিন তার পাশে দাড়িয়ে পরিবারের সদস্যের মতোই আপন করে নেন।

তার একমাত্র সন্তান স্বামী ও সংসার থেকেও আলাদা থাকতে হচ্ছে তাকে। এক সময় কভিড আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি নিজেও। আক্রান্ত কোন ব্যক্তির অবস্থার একটু অবনতি হলেই অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে ছুটে চলেন তার বাড়িতে। খাবার এবং চিকিৎসা সবই যেন তার দায়িত্ব। একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি বলেন আমাকে সরকার পাঠিয়েছেন মানুষের সেবা করতে আমি ধন্যবাদ জানাই আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সফল রাস্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে আমাকে মানুষের এই সেবা দেয়ার সুযোগ করে দেবার জন্য। আমি স্বাসক হতে চাইনা মানুষের সেবক হতে চাই। মানুষের এই দুঃসময়ে মানুষের একটু সেবা করতে পারছি এটাই আমার স্বার্থকতা আমি তখনই আত্বতৃপ্তি পাই যখন বিপদে পড়া মানুষগুলো আমাকে দেখে একটু সস্থি পায়। আর আমার এই কাজের প্রেরণার মূলে রয়েছেন আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি। জানাযায়, প্রথম কোন নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসের ১৮ তারিখে কাপাসিয়ায় যোগ দেন তিনি। তার আগে ৩০ তম বিসিএসে উর্তীর্ন হয়ে গাজীপুর ডিসি অফিসে কর্মরত ছিলেন।

পরাশুনা করেছেন ঢাকা হোম ইকোনোমিক্স কলেজে। কাপাসিয়ায় যোগদানের পরেই তিনি পুরো কাপাসিয়া চষে বেড়াতে থাকেন কাপাসিয়ার একজন কৃষক দিরমুজুর থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ের ব্যাক্তির কাছে রয়েছে তার ফুন নাম্বার। ফুন দিয়ে সমস্যা বলতেই হাজির তিনি। মহামারির পূর্বে বাল্য বিবাহ বন্ধে তার ছিল বিশেষ ভূমিকা। তারই রাতদিন পরিশ্রমে কাপাসিয়া ছিল বাল্য বিবাহ প্রায় শূন্যের কোঠায়। পেয়াজ এবং লবন দিয়ে সরকার বিরুধী ষরযন্ত্রের সময় তিনি ছিলেন স্বচ্ছার ঘুষনা দিয়েছিলেন তিনি, যেখানেই অন্যায় সেখানেই হাজির হব আমি করেছিলেনও ঠিক তাই। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নিয়ন্ত্রনে রেখেছিলেন পুরু কাপাসিয়া। তার পরই শুরু হল এক নতুন যুদ্ধ সমগ্র বিশে^র ন্যায় কাপাসিয়ায় ও শুরু হল করোনার সংক্রমন। চারদিকে যখন প্রত্যেকেই নিজের নিরাপত্তা নিয়ে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা। তিনি ব্যাস্থ হয়েগেলেন কিভাবে একটু সেবা দেয়া যায় করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তিদের।

কিভাবে একটু খাবার যোগিয়ে দেয়া যায় অর্ধাহারে অনাহারে থাকা ব্যক্তিদের। তাই তাকে বলাহয় কাপাসিয়ার শ্রেষ্ঠ করোনা যোদ্ধা। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণকারী এক বৃদ্ধা শেষ হাসি হেসেছিষেন তার যখন শ^াসকষ্ট শুরু হয় তখন তার বাড়িতে ইউএনওর অক্সিজেন সিলিন্ডার কাঁদে করে নিয়ে যেতে দেখে। করুনা থেকে সুস্থ হওয়া রুমানা ও রাবেয়া সুলতানা জানায়, করোনায় আক্রান্ত হবার পর চারদিকে যখন অন্ধকার দেখছিলাম তখন প্রথমেই আমাকে ফোন করে স্বান্তনা দেন মাননীয় সংসদ সদস্য সিমিন হেসেন রিমি। তার কিছুক্ষন পরই আমার সামনে হাজির হয়ে সকল প্রকার সাহায্যের আশ^াস দেন ইসমত আরা ম্যাডাম সব হারানো আমি যেন আরো বেশি কিছু ফিরে পেলাম আমরা এখন সুস্থ্য আছি। বর্তমানে আবারো গর্জে উঠেছে করোনা। গাজীপুরের মধ্যে কাপাসিয়া উপজেলা আক্রন্তের নতুন নতুন রেকর্ড ভাংছে তাই আবারো ব্যাস্ত হয়ে উঠেছেন কাপাসিয়ার সেই সম্মুখ যোদ্ধা ইসমত আরা। আবারো শুরু হয়েছে তার রত দিন ছোটে চলা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here